Wednesday, July 6, 2016

IS IS Phobia



IS কিভাবে কাজ করছে একটু চিন্তা করলেই বুঝা যাবে। ওদের ভিডিও আর খবর যদি পড়তে পারেন তাহলে নিচের কথাগুলোও আপনার পড়া উচিত।
IS হচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক চক্রান্ত মুসলিমদের উপর যাতে তারা নিজেরা নিজেরা মারপিট করে মারা যায়। IS চায় আপনি জানেন যে তারা অনেক 'বড়' এবং 'বিস্তৃত'। IS চায় যে আপনি জানেন যে তারা আপনার খাটের নিচেও আছে। তাই এতদিন তারা কি করেছে? দুনিয়ার যেখানে যাই হোক, বোমা ফুটুক, পটকা ফুটুক আর কারো পাদের গন্ধে মানুষ মারা যাক - সব কিছুর claim তারা নিয়েছে। যাতে মনে হয় তারা 'international'. IS কাজ করে অনেকটা Ice Bucket Challenge এর মতন।

দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে online এ brainwash করে তারা, internet agent দিয়ে দিন রাত কথা বলে অথবা আজগুবি ভিডিও দেখিয়ে। কখন middle east এর মুসলিম মেয়ে সেজে, কখনও কোন যুদ্ধে আক্রান্ত দেশের নাগরিক হিসেবে। এভাবেই শুরুটা হয় বন্ধু সেজে, আসতে আসতে sympathy অর্জন করে, তারপর ধর্মের নামে 'বানোয়াট' জিহাদি ব্যাখ্যা দিয়ে। এরপর তারা পরিচয় করিয়ে দেয় তাদের আরও বন্ধুদের। হটাত এইসব targeted ছেলেপেলের মনে হওয়া শুরু করে তারা অনেক বড় কিছু হতে যাচ্ছে। তারপর তাদেরকে এমন রূপ দেয় যেন তারা ওই দেশের country manager. নেট থেকে নামানো লোগো কাপড়ে print করে ওইটার সামনে দাড়ায় পরে। সেই ছবি ছড়িয়ে দিলেই জনগণ ভয় পেলো 'বাবারে IS'. আপনাদের ভয় জোগান দিলো তাদের আরও সাহসের! খেয়াল করে দেখবেন তাদের যেকোনো হুমকি ভিডিওর মাঝে মাঝে news clips থাকে, মানে বার বার আপনাকে ভয় দেখিয়ে আপনাকে দুর্বল করতে চায়। যখন আপনি যথেষ্ট ভয় পেয়ে গিয়েছেন তখন শুরু করে তাদের বক্তব্য। ব্যস হয়ে গেলো IS এর হুমকি ভিডিও তৈরি! আপনার মনের ভয় তাদের এই ব্যবসার 'মূলধন' বা 'capital'. IS এর প্রকাশিত Holey Artisan Bakery এর হামলাকারি হিসেবে প্রকাশিত সবাই same বন্দুক নিয়েই pose দিয়েছে, হয়তবা same পাঞ্জাবিও বার বার পড়েছে। তাই কারো fitting হয়েছে আর কারো ঢিলা। ছবি তো আগেই তুলেছিল তাই না? কেন? তারা চেয়েছিল আপনাকে ভয় দেখাতে। ৩ জন বাংলায় কথা বলা মানুষ বাংলায় বাংলাদেশকে হুমকি দিলো আর আমরা ভয় পেয়ে গেলাম? আমাদের সংখ্যা কতো? কতো কোটি? এমনকি আমাদের নায়ক অনন্ত জ্বলিল ভাই এর যত ফ্যান আছে, তত ফ্যান বা সদস্য সংখ্যা তো IS এর নেই। তাহলে ভয় কেন? আপনাকে আর আরও দুইজনকে দাড় করায় ভিডিও করে ছেড়ে দিলেও তাই মনে হবে। ভালো করে খেয়াল করলে বুঝবেন, এইসব ভিডিও কোন threat না, ওইটা অনেকটা ওদের দল বড় করার invite. বুদ্ধি খাটান। যুগে যুগে বিভিন্ন দেশ আমাদের ঠকিয়েছে। আর এখন IS আসছে ঠকাতে। আমাদের উচিত ভয় না পেয়ে শক্ত হাতে এদের দমন করা। দমনের প্রথম ধাপ, সহজেই ভয় না পাওয়া। ৯ মাস যুদ্ধ করে স্বাধীন এই দেশ। ৭২ ঘণ্টায় ভয় পেলে চলবে?
আমরা আবারও বলতে চাই, IS এর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নাই। ইসলাম বলেনাই নিরীহ মানুষকে মারতে। ইসলামে হাজার বছর আগের যুদ্ধের সময়কার ঘটনার বিবরণ আছে। ফায়দাবাজরা ওইসবের 'অপব্যাখ্যা' তৈরি করে brainwash করছে। ইসলাম বলে নাই কারো উপর নিজ ধর্ম চাপিয়ে দিতে। আমরা চাই পথভ্রষ্ট কথিত 'মুসলিম' দের মনে করিয়ে দিতে - হযরত মুহাম্মাদ (SAW) এর পথে কাটা বিছিয়ে রাখতেন অন্য ধর্মের এক বয়স্ক মহিলা। তাকে নবিজী কিছুই বলেননি বরং তার অসুস্থতার সময় তার খোঁজ নিয়েছেন। ছোট থেকে বার বার পড়ে আসা এক ঘটনা এটা, কারো তো ভুলার কথা না। ইসলাম কোন ত্রাস সৃষ্টির ধর্ম না, ইসলাম মানে শান্তি। কিন্তু IS এর কাজ ত্রাস সৃষ্টি করা, নিজেদের মধ্যে গেঞ্জাম লাগিয়ে তৃতীয় পক্ষের ফায়দা লুটানোতে সাহায্য করা। এটা আরও প্রমাণ করে দিয়েছে রমযান মাসে ৪ টি মুসলিম প্রধান শহরে আক্রমণ ও ত্রাস সৃষ্টি করে।
আপনার পরিবারের বা আপনার চেনা কেও অনেকদিন ধরেই missing থাকলে তা পুলিস কয়ে জানান। লজ্জা পাবেন না কারণ যদি দেখে সেই missing মানুষটা কয়েক মাস পরে বন্দুক হাতে সবখানে দেখা যায় তাহলে সমাজের কাছে ছোট হবেন আপনিই!
IS এর formula simple: আপনার ভয় = তাদের সাহস



Watch IS IS Video here :  http://adf.ly/1b72iP

Thursday, June 30, 2016

ফেইসবুক সেলিব্রেটি আশরাফুল আলম - হিরো আলম




গত কদিনে ফেসবুকে সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তির নাম হিরো আলম। পুরো নাম আশরাফুল আলম। ছোটবেলা থেকেই অভাব-অনটনের সাথে বেড়ে ওঠা আলমকে অভাবের কারণে আরেক পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছিলেন বাবা-মা। সেই আলম নিজের ভিতরের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে স্বাবলম্বী করেছেন। বিয়ে করেছেন। দুটি সন্তানও আছে। সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করা আলম সিডি বিক্রি করতেন। সিডি যখন চলছিল না তখন বগুড়ার এরুলিয়া গ্রামে শুরু করেন কেবল নেটওয়ার্ক ব্যবসা।

চুরি করেননি, ডাকাতি করেননি, মন্ত্রীর ছেলের মতো ঢাকায় ইয়াবা কারখানা খুলেননি। নিজে আর্থিক ভাবে স্বচ্চল হবার পর সুপ্ত বাসনার বাস্তবায়ন করতে নিজে নিজেই বিভিন্ন শিল্পীর গানের সঙ্গে নেচে গেয়ে মিউজিক ভিডিও বানিয়েছেন। সেটা প্রচার করেছেন নিজের কেবল নেটওয়ার্কে, নিজ গ্রামে। মানুষ সেটা দেখে আনন্দ পেয়েছে। উৎসাহ দিয়েছে। শুধু তাই নয় সাহস করে আলম দুটি নাটকও বানিয়েছেন। সেই নাটকও এলাকায় প্রচার করে খেটে খাওয়া মানুষকে বিনোদন দিয়েছেন।
না, আলম এই নাটক বা মিউজিক ভিডিও নিয়ে ঢাকায় এসে সিনেমা হলে চালাতে চাননি। নিজে মডেল হওয়ার ইচ্ছে ছিল তাই সাহস করে নিজেই নিজের স্বপ্ন পূরণ করেছেন। এতে আপনার আমার বিনোদিত হবার কিছু নাই।
গত কয়দিন ধরে এটাকে বিনোদন উপকরণ ধরে নিয়ে যারা মজা নিচ্ছেন তারা নিজেরা কি আলমের চেয়েও বেশি যোগ্যতাসম্প্ন্ন? আলমকে নিয়ে মশকরা করছেন এমন অনেক ডিরেক্টরকে চিনি যারা ফিল্মকে ‘ফ্লিম’ বলেন। ভুঁয়া গল্প, ভুঁয়া এ্যাকটিং, ফালতু প্রডাকশন নির্মাণকারী অনেকেই যারা চাকচিক্য দেখান নিজেদের প্রডাকশনে, সারবস্তু কিছুই নাই জিনিস বানান কোটি টাকা খরচ করে তারা বেশ মজা পাচ্ছেন হিরো আলমকে নিয়ে।
-
অথচ একটা লোক কোনও রকম প্রশিক্ষণ ছাড়াই, কোনও সহযোগিতা ছাড়াই নিজের ইচ্ছেতে ক্যামেরার সামনে যে ভাবে ফ্রেন্ডলি নাচলো, গাইলো আর অভিনয় করলো তার ইচ্ছা শক্তিকে সম্মান করা উচিৎ ছিল আমাদের।
-
কিঞ্চিত অডিও ভিজুয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ জেনেও আমি ইউটিউবে হিরো আলমের পারফর্মন্সে দেখে সাহস সঞ্চয় করি। শিখি ক্যামেরার সামনে নার্ভাস না হওয়া।
-
গতকাল আলম ঢাকায় এসেছেন। অনেকেই তাঁর ইন্টারভিউ করেছে। ইউটিউবে ভিডিও দেখেছি। এত সহজ সরল ও ভালোমানুষ তিনি, যারা ভিতরের চোখে দেখবেন, বুঝতে পারবেন। কথায় কথায় ঘামছিলেন। আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলছিলেন তার স্বপ্ন পূরণের গল্প। এলাকার মানুষ তাকে ভালোবাসে। জানালেন ঢাকা থেকে অনেকেই তার সঙ্গে যোগাযোগ করছে। একবারের জন্যও আলম বুঝে উঠতে পারছেন না ঢাকার নাগরিক মূর্খূগুলো তাকে নিয়ে আয়োজন করে মজা নেওয়ার চেষ্টা করছে।
-
আরেকটা কথা- আলমের চেহারা কালো, দাঁত উঁচু নিয়ে যারা মন্তব্য করেন তারা নিজেদের তলানীর খবর রাখেনতো?
-আলম ভয়াবহ ভুল বানানে আপডেট দিচ্ছেন। আলমের দাবি তাকে নিয়ে মজা করতেই কেউ কেউ এই ফেক আইডিগুলা খুলেছে। যদি ফেক নাও হয় তবু তার এই ভুল বানানের জন্য তাকে পরামর্শ না দিয়ে, তার ভুলটাকে ধরিয়ে না দিয়ে তাচ্ছিল্য করে নিজেকে কি ছোট করছি না?
আমিতো অনেক বড় শিক্ষিত লোকদেরও দেখি অভ্রতে ২০ টা শব্দ লিখলে ১৩ টা শব্দ ভুল হয়।
- আর, একটা দুইটা নাটক বানিয়ে, একটা দুইটা নাটকের একটা দুইটা সিকোয়েন্সে অভিনয় করে, মডেল হয়ে, যারা নিজেদের মিডিয়া পার্সোনালিটি ভাবতে শুরু করেছেন নিজেদের যোগ্যতা সম্পর্কে আপনি নিশ্চিত? প্লিজ হিরো আলমকে তার মতো কাজ করতে দিন। তার জীবন তার মতো করে এনজয় করতে দিন।
-
শক্তির কবিতাকে একটু ঘুরিয়ে বলি- কারো অক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে মশকরা করবেন না, কেননা কোনও না কোনওভাবে আপনিও সেই মশকরা পাবার যোগ্য লোক’।
-   (সেজুল হোসেন)







Tuesday, June 21, 2016

কাল থেকে ফেসবুক এবং হোয়্যাটস অ্যাপ বন্ধ

004_174137_1111





আবার Facebook এবং Whatsapp বন্ধ | সরকারের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছেন, কাল থেকে ফেসবুক বন্ধ থাকিবে | সাথে, জনপ্রিয় মেসেজিং এপ্স Whatsapp বন্ধ থাকবে |
.
– তবে , এ বিষয়ে সারা দেশবাসী খুবই চিন্তিত ;
.
– কেউ কেউ খানা – দানা বন্ধ করে দিয়েছেন :
.
– তবে, এত্ত কিছুর মধ্যে সুখের বিষয় হইল, কোন কাল থেকে বন্ধ থাকিবে :
.
– তার কোন নিশ্চয়তা নাই :
.
– এইটাই আপাদত সুখের বিষয়



প্রিয় পাঠক, এই নিউজটি'র মাধ্যমে বিন্দুমাত্র বিনোদন পেয়ে থাকলে, নিউজটি শেয়ার করুন





Friday, June 17, 2016

ভন্ড পীর দেওয়ানবাগী বিশ্বনবী রাসুল সাঃ কে নিয়ে কটূক্তি। সাবধান এমন ভন্ড পীর থেকে। ভিডিও সহ ২০১৬ বায়োডাটা


কেয়ামত আসতে আর বেশী দেরি নাই! ভিডিওটি দেখুন, সাবধান হউন এইসব ভন্ড পীর থেকে।



রাসুল সাঃ এর সাথে নিজেকে তুলনা করলেন এই দেওয়ানবাগী পীর।  তিনি এমনটা অনেক আগ থেকে করে আসছেন। ইউটিউব এ গেলে উনার অনেক ভিডিও দেখতে পাবেন।
কিন্তু এখন ধৈর্যের সীমা ছারিয়ে গেছে। এর একটা হিত-বেহিত না করলে হয় না। দয়া করে পোস্ট টি শেয়ার দিয়ে সাবাইকে সাবধান করে দিন। যেন এইসব ভন্ড পিড় এর পাল্লায় না পরে।
নাউজুবিল্লাহ!

এক কালের ফেইসবুক সেলিব্রেটি রেশমি মলম ২০১৬ বায়োডাটা






২০১৫ এর দিকে তিনি একটি ফেইসবুক একাউন্ট খুলেন।  দুঃখিত সেই একাউন্ট এখন আর নেই। মার্ক জুকারভাই ব্যান করে দিছে।
উনি তার একাউন্ট এ রুলস ছাড়া নিউড পোস্ট দিতেন। মাঝখানে উনার বগলের গন্ধের কারনে অনেক ফেমাস হয়ে গিয়েছিলো।



তিনি তার ওয়ালে এই পোস্ট দেখে অনেক হট হয়ে যান।
সাথে সাথে তার ওয়ালে কয়েকটি সেলফি চলে আসল।
                           


বগল আর দেখাতে পারলেন না। কিন্তু জা তিনি দেখিয়েছেন তা আমরা সবাই দেখেছি।
জারা দেখেন নাই, তাদের জন্য আবার ভিডিওটি।


তিনি বর্তমানে শুটিং করছেন। কিসের শুটিং?
গানের শুটিং। তিনি সাল্মান খানের ভাবির মতো আইটেম সং এ ডান্স করেন।
শুধু একটাই পার্থক্য। সালমান খানের ভাবির আইটেম সং গুলা হিট খায়। বিভিন্ন চ্যানেল এ দেখায়।
কিন্তু রেসমি এলন এর আইটেম সং শুধু মাত্র গুলিস্থান,মিরপুর ১০ এর অভার ব্রিজ এর নিচে সিডির দোকানে পাবেন।

তার একটা ভিডিও চং  এর শুটিং দেখে নিন।




তিনি নিজেকে অনেক ভালবাসেন। নিজেকে ভালবাসা অনেক ভালো একটা গুন।
কিন্তু তিনি চান সবাই তাকে ভালবাসুক।
তিনি মনে করেন তার মতো ফিগার আর কাওর নাই।  

আইটেম গার্ল রেশমি মলম।




ফেইসবিকে তাকে নিয়ে অনেক সমালচনা হয়। কারন তার গানের ডিস্ক নিউমারকেটে সেল হয় বলে।

তার একজন পাগলা ফ্যান তার পক্ষে দারিয়ে ফেইক আইডি এর মাধ্যমে কিছু পোস্ট দেয়।






Thursday, June 16, 2016

ভুত নাই জীন আছে- সত্য কাহিনি অবলম্বে ২০১৬




ঘটনাটা শুনেছি আমাদের মসজিদের মুয়াজ্জিন এর কাছ থেকে!তার নাম হানিফ! বয়স ৪০এর মত হবে! সে চাকুরি সূত্রে খুলনায় থাকতেন! তার বাড়ি বাগের হাট জেলার চিকলমারি থানার কালকিনী গ্রামে! প্রতি বৃহাস্পতিবার আছরের নামাজ শেষে গ্রামের বাড়িতেযান
এবং শনিবার জোহরের নামাজ আমাদের মসজিদে পড়েন!মূল ঘটনাটা বলি | তার ভাষায় |দিনটা ছিল বৃহাস্পতিবার ! আমি খুলনা থেকে রওনা দিলাম বিকাল ৬টায়! আমাদের সদর থানায় পৌছাতে পৌছাতে রাত ৯টা বেজে যায়! সদর
থেকে আমার বাড়ি আরো ২০কিঃমিঃ পথ!কোন গাড়ি না পেয়ে একটা মটরসাইকে ভাডা করি! মটরসাইকেলেক -রে বাজার পর্যন্ত আসি! এর পরের রাস্তা ভাঙ্গা ও কাদা থাকায় গাডি আর
জেতে পারবেনা বলে তাকে ছেড়ে বাজারে যখন পৌছাই সময় তখন রাত৯.৫০! বাজার থেকে আরো ৩কিঃমিঃদূরে আমার বাড়ি ! বাজারের কোন দোকান খোলা নেই! আকাশ একটু মেঘলা থাকায় বেশ অন্ধকার লাগছে! আমার কাছে একটা ২বেটারির টর্চ !



আমি হাটতে লাগলাম! যে রাস্তাদিয়ে আমি হাটছি তা ছ মাটির রাস্তা!রাস্তার বামপাশেই ছিল খাল! ডানপাশে পাট হ্মেত! কিছু দুর হাটার ডে একটা পূজা মন্ডব! মন্ডবটার গেটের উপর একটা মহাদেবের মূর্তি২৫ফুট উচু হবে ও তার পাশে স্বশান! মহাদেবের মূর্তিটার
গায়েশেওলা পরায় ঐ টাকে ভয়ংকর দেখাচ্ছিল! স্বশানটার দিকে যখন তাকালাম মনে হয় কেউ যেন একটা ওখান থেকে দৌরে আসবে আমাকে ধরতে! কিছুই দেখিনা কিন্তু মনে হচ্ছে কেউ বুঝি আমাকে দেখছে! আমাকে অনুসরন করছে! আমার পেছনে বুঝি কেউ আছে!
দোয়া পড়তে থাকি মনে মনে ! প্রথমে কিছু মনে থাকলে ও পরের গুলো ভুল হতে থাকে! কিছু দুর যাওয়ার পর পাশের খালে একটা নৌকা দেখে একটু সাহস পাই! নৌকায় লাইট মারি কিন্তু কোন শাড়াশব্দ নাই !আমি জিঙ্গাস করি কেউ
কি আছ! তবু ও কোন শাড়া না পেয়ে আমি নৌকার কাছে যাই ! নৌকার পাটাতনের ভিতরে লাইট মারি! ভিতরে যাকে দেখলাম তাকে আমি চিনি! নাম গফুর!গফুরকে বললাম কিরে তুই এত রাতে এখানে কি করিস! গফুর বললো আমি না থাকলে আপনারে এত
করাতো কে? এতরাতে কথাটা শুনে আমি ঘড়িটা ঘড়িতে তখন সময় ১.৫৫!আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম! এত সময়তো হতে পারে না! আমি কি ৩ ঘন্টা ধরে হাটছি? মোটের পরে ৩০থেকে ৪০ মিনিটের রাস্তা!
আমি গফুরকে কিছু বুঝতে দিলাম না! গফুরকে বললাম গফুর আমারে একটু পাড় করেদে! এই বলে আমি গফুরের নৌকায় উঠলাম! নৌকা পাড়ে ভেরার পর আমি গফুরকে বললাম গফুর আমারে একটু বাসা পর্যন্ত পৌছেদিবি?
গফুর একটু ভেবে বললো ভয় পাইছেন? চলেন! আমরা দুজন একসাথে হাটছি!কিছু দুর আসার পর আমি খেয়াল করলাম গফুর আমার পেছন পেছন হাটে’!সামনে একটা কবরস্থান এবং কবরস্হান থেকে ধোয়া বের হচ্ছে!একটু যখন কাছে এসে লাইট মারলাম কবরের
দিকে! দেখি একটি মেয়ে শাদাকাপড় পড়া চুলগুলো ছেডে দেওয়া কবরস্থ ভিতরে দাডিয়ে আছে এবং হাত হিশারায় আমাদের ডাকছে! মেয়েটিকে দেখে আমি চিনেছি! ওর নাম ময়না!
আমি গফুরকে বলি ও ময়না না? হটাত্ বুকের ভিতরটা কেমন যেন করে উঠলো! শরির কেপে গেল!আমার পাশে গফুর নেই! আমি একটা চিত্কার দিয়ে দৌরাতে দৌরাতে একটা বা সামনে গিয়ে অঙ্গান হয়ে পড়ি! বাড়ির
লোকজন আমাকে তুলে নিয়ে মাথায় পানি দেয়! কিছুহ্মন পর আমার জ্ঞান ফিরলে আমি তাদের সবকিছু খুলে বলি !আমার কথা শুনে তারা একে অপরের দিকে এমন ভাবে মুখ চাওয়াচায়ি করে যেন
আমি তাদের মিথ্থা বলছি || পরে জানতে পারি গফুর ও ময়নার মধ্ধে একটা সম্পর্ক ছিল! গফুর মাঝির কাজ করে ও ময়নার বাবা একটু প্রভাবশালি ! তাদের সম্পর্ক মেয়েটির পরিবার মেনে নেয়নি! তাই মেয়েটি সুইসাইড় করেছে ও গফুরের খোজ কেউ জানেনা....

The Conjuring 2 Full Movie here : http://adf.ly/1b6wPq

রমযান মাসে যদি সব শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকে তাহলে এ মাসে মানুষ নিয়মিতভাবে পাপ করতে থাকে কীভাবে?

                                                   রহমান রহীম আল্লাহ্‌ তায়ালার নামে-



প্রশ্ন: এটি খুব সাধারণ এবং সকলের মনে উদয় হওয়া একটি প্রশ্ন তাহলো, রমযান মাসে যদি সব শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকে তাহলে এ মাসে মানুষ নিয়মিতভাবে পাপ করতে থাকে কীভাবে?





উত্তর : ডা. জাকির নায়েক: হ্যাঁ, আমি এই সাধারণ প্রশ্নের সাথে একমত এবং এখন আমার বিভিন্ন আয়াত, হাদীস ইত্যাদির কথা মনে হচ্ছে যেখানে উল্লেখ আছে যে, রমযান মাসে শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মনে এই প্রশ্ন উত্থিত হয়।

শুধু আমাদেরই নয়, বিভিন্ন মুসলিম এবং অমুসলিমদের ভেতরেও এই প্রশ্ন ওঠে যে যদি শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ হয় তাহলে মানবজাতি এরকম পাপ কাজ চালিয়ে যেতে পারে কীভাবে? এই ধরনের প্রশ্ন উত্থাপিত হয় মূলত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাদীসদ্বয়ের উপর ভিত্তি করে।



মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,




তিনি এই হাদীসে অত্যন্ত পরিষ্কারভাবেই উল্লেখ করেছেন যে, পবিত্র রমযান মাসে শয়তানকে আল্লাহ তায়ালা শৃঙ্খলাবদ্ধ করে দেন। সুতরাং খুব সহজভাবেই এই প্রশ্ন উত্থিত হয় যে, শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকার পরেও মানবজাতি পাপ কাজে লিপ্ত থাকে কীভাবে?

এখন এই লোকগুলোকে বোঝাতে আমাদেরকে এটি অনুধাবন করতে হবে যে, শয়তান যদিও শৃঙ্খলাবদ্ধ কিন্তু তার মানে এই নয় যে, শয়তান একেবারে শেষ বা মরে গেছে বরং শয়তান জীবিত তারা মরে যায় না। তাদের ক্ষমতা রোধ হয়ে যায়। ব্যাপারটি ভালোভাবে বোঝার জন্য একটি উদাহরণ দেওয়া যাক। বাঘের কথাই ধরুন। যে বাঘটি মুক্ত তার পক্ষে মানুষ হত্যা করার সম্ভাবনা খুবই বেশি এমনকি বাঘে পেলে হত্যা করে বৈকি! আপনার জীবন তখন বিপদাপন্ন কিন্তু যখন ওই বাঘটি খাঁচাবন্দি বা শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকবে তখন কিন্তু আপনি ওই বাঘ হতে নিরাপদ। তবে আপনার ওই নিরাপত্তা নির্ভর করে যতটুকু দূরত্ব আপনি বাঘের সাথে রেখেছেন তার ওপর। বাঘকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করার পরেও আপনি যদি ওই বাঘের খুব কাছাকাছি চলে যান তাহলে আপনাকে হত্যা করার একটা সুযোগ কিন্তু ওই বাঘের জন্য থেকে যায়।



সুতরাং যতটা সম্ভব, ওই বাঘের কাছ থেকে বেশি দূরত্ব বজায় রাখতে হবে তাহলেই আপনি নিরাপদ থাকবেন। একইভাবে আপনি যদি রমযান মাসে শয়তান হতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখেন তাহলে আপনিও নিরাপদ থাকতে পারবেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন,

                                           يَا أَيُّهَا النَّاسُ كُلُوا مِمَّا فِي الْأَرْضِ حَلَالًا طَيِّبًا وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ ۚ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ
অর্থ: হে মানবজাতি! পৃথিবীতে যা কিছু বৈধ ও পবিত্র খাদ্যবস্তু রয়েছে তা হতে তোমরা আহর করো এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করিও না, নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। (সূরা বাকারা, অধ্যায়-২, আয়াত-১৬৮)



এখানে বলা হয়েছে- “শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ এবং তার কুমন্ত্রণা থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য সতর্ক হও” কুরআনের অনেক জায়গায় আল্লাহ তায়ালা এই শয়তানের পদাঙ্ক হতে বাঁচার জন্য তাগিদ দিয়েছেন। আল্লাহ এই কথা বলেন নি যে তোমরা শুধু শয়তানের কাছ থেকে সতর্ক হও, কারণ অনেক সাধারণ এবং ঈমানদার মুসলমান আছেন যারা তাদের সামনেই শয়তানকে দেখতে পান এবং এতে করে তারা নিজেরাই সতর্ক হতে পারে বা সুযোগ পায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একটি যুবতী মেয়ে একজন ঈমানদার যুবকের কাছে এসে বলল, চলো আজ আমরা দু’জনে একসাথে রাত কাটাই। তখন ওই যুবক বলবে, দু’জনে একসাথে রাত কাটাব! একটা মেয়ের সাথে রাত কাটাব! এটা হারাম, এটা যিনা, ব্যভিচার। সে তাৎক্ষণিকভাবে এটার প্রতিবাদ করবে। কিন্তু ওই একই যুবতী যদি ওই যুবকের সাথে ফোনে কথা বলে তাহলে এটা তেমন কোন ব্যাপার নয়, পরবর্তীতে মেয়েটি ছেলেটিকে বলল, চলো আমরা স্ন্যাকস, ম্যাকডোনাল্ড, ফ্রাইড চিকেন ইত্যাদি খাই।

এটার জন্য তাদের আধা ঘণ্টা ব্যয় হলো এবং এটিও তেমন কোন ব্যাপার নয়। এরপর মেয়েটি বলল আচ্ছা আমরা রাতের খাবার কেন খাচ্ছি না, চলো রেস্টুরেন্টে যাই। তারা গেল কিন্তু এটাও তেমন কোন সমস্যা নয়। এরপর মেয়েটি বলল, তাহলে রাতটা তুমি আমার সাথে কাটাচ্ছো না কেন? তখন ছেলেটি বলল, একটি মেয়ের সাথে রাত কাটাব চমৎকার, কোন সমস্যা নয়। আর এটাই হলো শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ। আর শয়তানের এই পদাঙ্ক অনুসরণ একজন মুমিন বান্দাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এই কারণে আল্লাহ আমাদেরকে শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করা থেকে সতর্ক হতে বলেছেন। যদি শয়তান সরাসরিভাবে কোনো ঈমানদার ব্যক্তির সামনে উপস্থিত হয় তাহলে ওই মুমিন ব্যক্তি তাকে ভয় করে এবং তার থেকে বাঁচতে পারে। শয়তানের পদাঙ্ক হলো এমন একটি জিনিস যেটি খুবই বিপদজনক।

সুতরাং আমরা এটাই বুঝতে পারি যে, যখন শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকে তখন পদচারণাও বন্ধ থাকে। যে কারণে অনেক পাপ কাজও বিরত থাকে। এখন যদি কেউ আগ বাড়িয়ে শয়তানের কাছে যায় তাহলে শয়তানের কাছে তার মাথানত এবং বিভিন্ন পাপ কাজ করার বা পাপে জড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা চরমে পৌছে। তাই পবিত্র রমযান মাসে আমরা যতই শয়তানের কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করবো ততই আমাদের পাপ কাজে জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পাবে। আপনি যদি শৃংখলাবদ্ধ বাঘের কাছে যান যদিও সে আবদ্ধ, তবুও সে কিন্তু অল্প জায়গার ভেতরে ঘোরাফেরা করতে পারে একইভাবে শয়তানও একই কাজ করতে পারে। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “শয়তানরা শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে যায়।” তারা স্বল্প জায়গায় ঘোরাফেরা করতে পারে। সুতরাং কেউ যদি শয়তানের ঘোরাফেরার আওতায় বাইরে থাকে তাহলে সে শয়তান থেকে নিরাপদ থাকতে পারবে।

 * আমি এ প্রসঙ্গে দ্বিতীয় যে কারণটি অনুভব করি সেটা হলো- আমরা একটি ব্যাপার অনুধাবন করতে ব্যর্থ হই তাহলো যদিও শয়তান রমযান মাসে শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকে কিন্তু বাকি আরো ১১ মাস সে কিন্তু মুক্তই থাকে। ওই ১১ মাসে শয়তান মানুষের ওপর যে সব কুমন্ত্রণা এবং পাপে জড়াতে পেরেছে তার প্রভাব মানুষকে পবিত্র রমযান মাসেও প্রভাবিত করে। আমি আপনাদেরকে সহজভাবে বোঝানোর জন্য একটি উদাহরণ দিচ্ছি- একজন মাদক বিক্রেতা যে বিভিন্ন প্রকার চেষ্টা করে কলেজ, ভার্সিটির তরুণ ছাত্রছাত্রীদেরকে মাদকাসক্ত করে ফেলে। এটিতে সফল হওয়ার জন্য প্রথমে তারা কি করে? প্রথমে তারা ছাত্রদেরকে বিনামূল্যে মাদক দেয়। তাদেরকে মাদক গ্রহণের জন্য উৎসাহিত করে।
পরবর্তীতে তারা ছাত্রদের উপর মাঝে মাঝে অল্প পরিমাণে মূল্য আদায় করতে শুরু করে এবং দিনে দিনে টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।’ কিন্তু ততদিনে ওই ছেলেমেয়েরা যথেষ্ট পরিমাণে মাদকের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় যদি ওই দমাদক বিক্রেতারা ওই ছাত্রছাত্রীদের কাছে না যায় তাহলে ওই ছাত্রছাত্রীরাই নিজেরা ওই মাদক বিক্রেতাকে খুঁজে বের করে। ওই মাদক বিক্রেতারা তাদের কৌশল অনুযায়ী অন্য কোনো লোকের কাছে গিয়ে একই ধরনের কৌশল প্রয়োগ করে। সুতরাং যে লোকেরা মাদকের প্রতি আসক্ত হয়েছে তারা নিজেরাই মাদকের দোকানে গিয়ে সেটি গ্রহণ করে। একইভাবে যারা শয়তানের প্রতি আসক্ত হয়েছে তারা শয়তান অনুপস্থিত থাকলেও তাদের মাঝে শয়তানকে খোঁজা বা শয়তানের আসক্তি তাদের ভেতর প্রবলভাবে কাজ করে। কিন্তু ‍মুমিন মুসলিম যারা শয়তানের প্রতি আসক্ত হয় নি তাদের পক্ষে শয়তানের কাছে থেকে দূরে থাকা বা কুমন্ত্রণা থেকে বিরত খুবই সহজ।


 * এ প্রসঙ্গে তৃতীয় কারণ হিসাবে বলবো, অনেক ইসলামি চিন্তাবিদ আছেন যারা বলেন যে, পবিত্র রমযান মাসে বড় বড় শয়তানরা অনুপস্থিত থাকে কিন্তু ছোট এবং শয়তানের দোসররা মুক্ত থাকে এবং তারাই মানুষের ভিতরে কুমন্ত্রণা ঢুকিয়ে দেয়। এই শ্রেণীতে আরেকটি যুক্তি আছে তাহলো, যদিও আল্লাহ রমযান মাসে শয়তানকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে দেন তথাপি তারা মানুষের অন্তরে তাদের কুমন্ত্রণা দিতে থাকে এবং এরই মাধ্যমে তারা মানুষকে তাদের কাছাকাছি নিয়ে যায়।


আল্লাহ বলেন,

                                                                                              الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ
“তারা মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয় এবং তারা আসে হয়তো মানুষ কিংবা জ্বিনের ভেতর থেকে।” (সূরা নাস, আয়াত ৫,৬)



এখানে শয়তানের কথা বলা হয়েছে। শয়তান এমনই সত্তা যে মানুষের হৃদয়কে কলুষিত করে এবং পলায়ন করে এবং সে হতে পারে মানুষ কিংবা জ্বিন জাতি হতে। সুতরাং এমনও হতে পারে যে, আল্লাহ তায়ালা যে শয়তানকে বন্দি করেন সে হয়ত জ্বিন জাতির সদস্য কিন্তু মানবজাতির ভেতরের শয়তান তখনো মুক্ত থাকে। সুতরাং এক শ্রেণীর শয়তান যারা জ্বিন জাতি হতে আসে তারা অনুপস্থিত থাকে। কিন্তু মানবজাতীয় শয়তান উপস্থিত থাকে। তাই আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে শয়তানের কুমন্ত্রণা হতে। এই কুমন্ত্রণাই হলো আসল জিনিস যেটি মানুষকে শয়তানের দিকে টেনে নিয়ে যায়। এই ব্যাপারটি হাদীসে পরিষ্কার করা হয়েছে। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহ তোমাদের জন্য রমযানকে উপস্থিত করেছেন। তোমাদের উচিত রোযা রাখা এবং এই রোযার উদ্দেশ্য হবে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা।

শয়তান কি শৃঙ্খলাবদ্ধ হবে? আল্লাহ আমাদেরকে রোযা রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন যে, রোযার মাসে শয়তান শৃঙ্খলাবদ্ধ হবে। সুতরাং যদি তুমি রোযা রাখ তাহলে তোমার পেছনে যে শয়তান লেগে আছে আল্লাহ তাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে দেবেন। এখানে শয়তান হতে বাঁচার জন্য শর্ত হলো আমাদেরকে অবশ্যই রোযা রাখতে হবে। যদি তুমি যথাযথ নিয়তের সাথে রোযা রাখো তাহলে নিশ্চিতভাবে শয়তান তোমার ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না।

  * এটা প্রমাণ করার সবচেয়ে যৌক্তিক উপায় হলো, যদি আমরা রমযান মাসে বিভিন্ন মুসলিম দেশের অপরাধ প্রতিবেদন দেখি তাহলে দেখা যাবে যে, অন্য মাসের তুলনায় এটি অনেক কম। কিন্তু যদি রমযান মাসে একটি অমুসলিম দেশের অপরাধ প্রতিবেদন দেখি তাহলে দেখা যাবে এটি অন্যান্য মাসের মতই রয়েছে। এর প্রধান কারণ হলো তারা রোযা পালন করে না, তারা মুসলিম নয় এবং শয়তান তাদের উপর তখনও প্রভাবশীল থাকে। যদিও সব মুসলমান রোযা থাকে না কিন্তু বেশির ভাগই রোযা থাকে এবং এই কারণে পবিত্র রমযান মাসে অন্যান্য অমুসলিম দেশের তুলনায় মুসলিম দেশগুলোতে অপরাধের পরিমাণ কম থাকে।



Join Us On Facebook : https://www.facebook.com/groups/islamidaowat123



ইসলামের দাওয়াত from Bangladesh.




Wednesday, June 15, 2016

ফেইসবুক সেলিব্রেটি টুনটুনি আদ্রিতা - হাতিপু



টুনটুনি আদ্রিতা। উরফে হাতিপু। বর্তমান ফেইসবুক চেলিব্রেটি।
কিছুদিন আগে তার একটি মিউজিক ভিডিও এর শুটিং চলতেছিল। কেও একজন উপর থেকে একটি ছবি তুলে নেয় এবং সেটি নিয়ে হাতিপুর রিপ্লাই -






এর কিছুদিন পরেই আমাদের সবার প্রিয় হাতিপুর আইডি  মার্ক জুকারভাই নিয়ে নেয়।
তারপর তিনি নতুন একটি বাংলা আইডি খুলেন।
     তিনি তার এই আইডি হারানর শোকে নতুন আইডি দিয়ে একটি পোস্ট দেয়। থুক্কু উনি পোস্ট কম দেয়, ভিডিও বেশি দেয়।
তার সেই ভিডিও তে তার চোখের পানি দেখে হাতিপুর এক পাগলা  ফ্যান অনেক কষ্ট পায়।
সাথে সাথে সে মার্ক জুকার ভাইয়ের আইডিতে আবেদন করে।



তার এই আবেদন জুকার ভাই মানবে কিনা মানবেনা সেটা উনি একনাত জানে।


এবার আসি বিনোদন এর পাতায়।
হাতিপু সুধু  DSU & DSE তেই ফেমাস না। আন্ডার অয়ারল্ড এও তার কিছু শুটিং আছে।


Full Video  : go to this Link :

http://adf.ly/1b72iP


হাতিপুকে ফেইসবুকে ঃ  www.facebook.com/tuntuni.adrita









হাতিপুর ভিডিও সমগ্র থেকে বেছে নেওয়া একটি ভিডিউ। দেখুন করুন ফেলুন। শেয়ার!




ছোটোবেলার হাতিপু।








ফেইসবুক সেলিব্রেটি মডেল আরিফ খান।

BTV Model Arif Khan 2016 Image
ফেইসবুক সেলিব্রেটি এর নাম ধরতে গেলেই প্রথমে আসে মডেল আরিফ খান এর নাম। উনি অনেক অভিনয় করেছেন। ফেইসবুকে তার অনেক ভক্ত আছে।
হাগার হাগার মানুষ তার একটি পোস্ট এর জন্য দিন রাত অপেক্ষা করে।
কেনো করে?
শুধু মাত্র একটু বিনোদোন পাওয়ার আশায়।
কিছু নমুনা নিচে দেওয়া হলঃ







রমজান মাস এর কারনে তার ভক্তগন মুখ নাপাক কম ই করেন!


আসুন দেখা যাক রমজানের আগের পরিস্থিতি।




তার একটা  মুজিক ভিডিও থুক্ক মিউজিক ভিডিও  নিচে দেওয়া হলো। সবাই দেখবেন আশা করি।




সুতরাং উনি একজন অন্যতম ফেইসবুক সেলেবেটি।

Model Arif Khan Facebook Page  : www.facebook.com/modelarifkhan

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে কাজের স্বপ্ন ২০১৬ টিপস


অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি?


অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা অ্যাফিলিয়েশন হচ্ছে এমন একটি মার্কেটিং সিস্টেম যার মাধ্যমে আপনি আনলাইনে ঘরে বসে আয় করতে পারেন। প্রথমেই আসুন আমরা জানতে চেষ্টা করি অ্যাফিলিয়েশন বিষয়টি কি: অ্যাফিলিয়েশন হচ্ছে একটি মার্কেটিং সিষ্টেম যা বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানি ব্যাবহার করে। আমরা যদি বিশ্বব্যাপি বহুল পরিচিত এম্যাজান স্টোর amazon.com ইবে স্টোর ebay.com ব্রাউজ করি তাহলে দেখব যে এখানে বিভিন্ন ধরনের পণ্য কেনা যায়। এখন এই এম্যাজান বা ইবের পণ্য যদি আপনি নিজের জন্য না কিনে কোন মাধ্যমে সেল করে দিতে পারেন তাহলে সেটাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অর্থাৎ এম্যাজান বা ইবের পণ্য আপনি যদি কোন মাধ্যমে সেল করিয়ে দিতে পারেন তাহলে তারা আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমানে কমিশন দিবে, যেমন এম্যাজান স্টোরের ১০০০ ডলারের পণ্য আপনি সেল করিয়ে দিলে আপনাকে কমপক্ষে ৪০ ডলার কমিশন দিবে। এভাবে বিশ্বের প্রায় সব কোম্পানিই তাদের পণ্যের বিক্রির উপর কমিশন দেয়, আর সেটাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এম্যাজান অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ জয়েন করার লিংক পাওয়া যাবে এখানে https://affiliate-program.amazon.com



Add caption


অমরা অনেকেই হয়ত নিজেদের ওয়েবসাইটের জন্য ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় করি, বিশ্বব্যাপি বহুল পরিচিত একটি হোস্টিং কোম্পানি হচ্ছে হোস্টগেটর hostgator.com এখন যদি আপনি হোস্টগেটর এর হোস্টিং আপনি কোন মাধ্যমে সেল

 করাতে পারেন তাহলে প্রতিটি সেলে হোস্টগেটর আপনাকে কমিশন দিবে আর এই ধরনের মার্কেটিং করাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। হোস্টগেটর এর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ জয়েন করার লিংক পাওয়া যাবে এখানে http://www.hostgator.com/affiliates






আমরা যদি বাংলাদেশের একটি ওয়েবসাইট টেমপ্লেইট তৈরি করে এমন একটি কোম্পানি জুমশেপার joomshaper.com এর ওয়েবসাইট ভিজিট করি তাহলে দেখব যে এখান থেকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের জন্য থিম/টেমপ্লেইট, প্লাগিন্স কেনা যায়। এখন এই থিম/টেমপ্লেইট, প্লাগিন্স যদি আপনার মাধ্যমে সেল হয় তাহলে জুমশেপার আপনাকে কমিশন দিবে আর এই কমিশন পাওয়ার জন্য মার্কেটিং করাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। জুমশেপারের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ জয়েন করার লিংক পাওয়া যাবে এখানে http://www.joomshaper.com/affiliate/affiliates/









এভাবে বিশ্বের পায় প্রতিটি কোম্পানিরই অ্যাফিলিয়েট পণ্য রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি আয় করতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলে কি কি প্রয়োজন?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং মূলত অনলাইন মার্কেটিং তাই আপনাকে কম্পিউটার, ইন্টারনেট এবং ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। ইন্টারনেট মার্কেটিং সম্পর্কে (সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন, ইমেইল মার্কেটিং, স্যোসাল মিডিয়া মার্কেটিং) ভাল ধারণা নিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরূ করলে ভাল হবে|

ভাল ইংরেজি জানলে আর ঠিকমত অধ্যবসায় করলে ৫ থেকে ৭ মাসের ভিতরেই আপনি দক্ষ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে পারবেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শেখার জন্য যেসব বিষয় আপনাকে শিখেতে হবে তা হল:

সাবলীল ইংরেজি লেখার ক্ষমতা।
ব্লগ তৈরি ও তা রক্ষনাবেক্ষণ জানা।
ব্লগ প্রমোশনের বা মার্কেটিংয়ের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) শিখতে হবে।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং জানতে হবে।
ইমেইল মার্কেটিংয়ের দক্ষতা থাকতে হবে।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে করবেন?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অনেকভাবে করা যায় যেমন – কোন একটি রিভিউ সাইট তৈরি করে তারপর সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে ভিজিটর জেনারেট করে অথবা স্যোসাল মিডিআ মার্কেটিং বা ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে।

প্রোডাক্ট রিভিউ সাইট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর অন্যতম একটি মাধ্যম। একটা জরিপে দেখা যায়ঃ

৮৩% ভোক্তা বলেছেন প্রোডাক্ট রিভিউ তাদের পার্সেচ ডিশিসনকে প্রভাবিত করে
৭০% ক্রেতা কেনার আগে অনলাইনে প্রোডাক্ট রিভিউ খুজে
প্রায় অর্ধেকেরও বেশিভাগ ক্রেতা প্রোডাক্ট রিচার্সের অংশ হিসাবে সার্ভে এবং ভোক্তাদের রিভিউ পড়ে থাকেন
প্রায় ১০ জনের মধ্যে ৯ জন মার্কিনি কেনার আগে কোনও না কোনো সময় প্রোডাক্ট রিভিউ পড়ে থাকেন।
সাধারণত দেখা যায় যে একজন ক্রেতা একটি পন্য কেনার পূর্বে তা সম্পর্কে অনলাইনে পণ্যটি সম্পর্কে জানতে চান। যেমন একজন ব্যাক্তি একটি Folding Bike কিনতে চান, সাধারণত বাইকটি কেনার পূর্বে সে এটি সম্পর্কে জানার চেষ্ঠা করে্ন। তখন তিনি হয়ত গুগল বা ইয়াহু সার্চ ইন্জিনে সার্চ দেয় “Best Folding bike”, “Folding bike review”, “Folding bike price”, “Folding bike price in usa” এসব কিওয়ার্ড লিখে। নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড এর জন্য আপনার প্রোডাক্ট রিভিউ সাইটটি যদি আপনি বিভিন্ন সার্চ ইন্জিনের প্রথমে নিয়ে আসতে পারেন তাহলে আপনি প্রোডাক্ট অ্যাফিলিয়েট এর মাধ্যমে ভাল পরিমান টাকা আয় করে পারবেন।
কয়েকটি অ্যাফিলিয়েটমার্কেটিং সাইট:

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর অনেক বড় বড় সাইট বা নেটওয়ার্ক রয়েছে যাদের কাছ থেকে সাইনআপ করে আপনি বিভিন্ন অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট সেল করতে পারেন। বিশ্বের বড় কয়েকটি অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক হচ্ছে

আমাজন অ্যাফিলিয়েট  https://affiliate-program.amazon.com

ক্লিকব্যাংক http://www.clickbank.com

ক্লিক সিউর https://www.clicksure.com

কমিশন জাংশন http://www.cj.com

ওয়ান নেটওয়ার্ক ডাইরেক্ট http://www.onenetworkdirect.com

লিংকশেয়ার http://www.linkshare.com

কমিশনসোপ https://www.commissionsoup.com

শেয়ারএসেল http://www.shareasale.com

ওয়ারিয়রপ্লাস http://www.warriorplus.com

অ্যাফিলিয়েটউইন্ডো  http://www.affiliatewindow.com

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোথায় শিখবেন:

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে ইন্টারনেট মার্কেটিং এর অনেক কিছু জানতে হবে এবং প্রচুর পড়াশোনা করা দরকার। ইন্টারনেটে সার্চ করে বিভিন্ন রাইটারের লেখা পড়ে, তাদের পিডিএফ বই পড়ে বা ভিডিও দেখেও আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে পারেন। তবে ইন্টারনেট থেকে শিখতে প্রচুর সময় নষ্ট হতে পারে সরাসরি গাইডলাইনের অভাবে। কারন আপনি ভাল রিসোর্স কোথায় আছে জানেন না এবং ইন্টারনেটে সার্চ করে সবকিছু পাওয়া অনেক দূরুহ ব্যাপার। হাতে কলমে শেখার জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্রফেশনালি কেউ করছে তার কাছ থেকে বা ভালমানের কোন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটেরও দারস্থ হতে পারেন, যাঁরা দ্রুত আপনাকে একজন সফল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে সাহায্য করবে।

বাংলাদেশ থেকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে কাজের সম্ভাবনা

অনলাইনে টাকা আয়ের সবচেয়ে বড় যে উপায়, সেটিই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। ২০১১ সালের হিসাব অনুযায়ী, শুধু অ্যাফিলিয়েট মাকের্টিংয়ের মাধ্যমে মার্কেটাররা আয় করছেন ৪০ হাজার কোটি টাকা। বিশাল এই বাজারের ১ শতাংশও যদি আমরা ধরতে পারি তাহলে প্রতি বছর দেশে আসবে ৪০০ কোটি টাকা। এই জায়গাটিতে পৌঁছনো খুব একটি কঠিন বলে মনে করেরনা বাংলাদেশের ব্লগার ও এফিলিয়েট মার্কেটার নাসির উদ্দিন শামীম।

আবার ব্লগ লিখে অ্যাফিলিয়েট মাকের্টিংয়ের ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্সসহ বিভিন্ন অ্যাড নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও নিজের সাইট থেকে আয় করা যায়। এখান থেকেই আমাদের তরুণদের কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশে এখন অনেক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার, গুগল অ্যাডসেন্স পাবলিশার রয়েছেন যারা ব্লগ লিখে আয় করছেন ৩ থেকে ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত। বাংলাদেশি তরুণরাই যে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করছেন তা আমি নিজেও জানতাম না এতদিন।

সম্প্রতি ব্যাংকে আমার চেক জমা দিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অফিসারের মুখেই শুনেছি একজন তরুণের গল্প, যে কিনা প্রতিমাসেই ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার ডলারের গুগল অ্যাডসেন্স চেক জমা দেয়।

দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে অন্যরাও এখন বিশাল এই বাজারে প্রবেশ করতে পারেন। আমাদের মধ্যে এখন সচেতনতা দরকার এবং সেইসঙ্গে উদ্যোগ।





ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কত আয় করতে পারেন ? 2016

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কত আয় করা যায় ?


এখানে ক্লিক করে নিজের আয়ের একাউন্ট খুলুন


এটা এমন এক প্রশ্ন যার তৈরী কোন উত্তর নেই। আপনি যখন চাকরী করেন তখন সহজেই আপনার আয় কত বলতে পারেন । ফ্রিল্যান্সারের ক্ষেত্রে বিষয়টা অতটা সহজ না। একজন ফ্রিল্যান্সারের আয় যে বিষয়গুলির ওপর নির্ভর করে সেগুলি এখানে তুলে ধরা হচ্ছে।
আপনি ফ্রিল্যান্সকে পেশা হিসেবে নিতে চাইলে প্রথমে মার্কেটিং এর দক্ষতা বাড়ান। বলা হয় বাংলাদেশীদের মার্কেটিং এ দক্ষতা কম। নিজেদেরকে ঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেন না বলে যোগ্যতা থাকা সত্তেও অনেকে কাজ পান না। এখানে ভালো আয় করতে চাইলে প্রথমে নিজের দক্ষতা প্রকাশ করতে হবে । বিষয়টি অনেকটাই দোকানদারীর মত। আপনার দোকানে কত জিনিস আছে সেকথা না জানালে ক্রেতা পাবেন না। ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার যোগ্যতা কি সেটা প্রকাশ না করে কাজ আশা করতে পারেন না
মার্কেটিং এর দক্ষতা থাকাই যথেষ্ট নয়, একে নেশায় পরিনত করতে হবে। যদিও বাস্তবে অনেকেই কাজটি পছন্দ করেন না । আপনি বিশ্বের সবচেয়ে ভাল গ্রাফিক ডিজাইনার হতে পারেন কিন্তু সেটা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজে আসবে না যদি সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে না পৌছান। নিজের দক্ষতা প্রকাশ করাই যথেষ্ট না, বরং প্রতি মুহুর্তে খোজ করা প্রয়োজন কোথায় আরেকটু ভাল ক্লায়েন্ট পাওয়া । প্রশ্ন থাকতে পারে এরসাথে ফ্রিল্যান্সারের আয়ের সরাসরি সম্পর্ক এত গুরুত্বপুর্ন কেন। বাস্তবতা হচ্ছে, যারা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সবচেয়ে ভাল করেন তারা তাদের কাজে সবচেয়ে দক্ষ এটা ধরে নেয়া যায় না । বরং যারা যোগাযোগে দক্ষ তারা তারচেয়ে দক্ষ ব্যক্তির চেয়ে ভাল কাজের সুযোগ পান এবং ফল হিসেবে বেশি আয় করেন। স্বাভাবিকভাবেই আপনি দক্ষতাকে উপেক্ষা করতে পারেন না। বেশি কাজ পাওয়া এবং বেশিমুল্যের কাজ পাওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সাধারন মানের গ্রাফিক ডিজাইনার ঘন্টাপ্রতি ৪০ ডলারে কাজ করতে  পারেন, যার দক্ষতা বেশি তিনি নিতে পারেন ৮০ ডলার। ৪০ ডলারের যোগ্যতা নিয়ে ৮০ ডলার আশা করা অনুচিত । যারা মার্কেটিং এ ততটা দক্ষ নন তারা অনেকে যোগ্যতা দিয়ে সেটা পুরন করার চেষ্টা করেন। প্রতি মুহুর্তে নিজের দক্ষতাকে বাড়াতে থাকেন এবং আশা করেন কোন এক সময় সঠিক ক্লায়েন্টের কাছে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। এককথায় ফ্রিল্যান্সার কত আয় করতে পারেন সেটা প্রকাশ করা যেতে পারে এভাবে, আপনার কাজে দক্ষতা এবং যোগাযোগের দক্ষতা যত বেশি আয় ততটাই বেশি। এই দুইএর সমম্বয় করে মাসে কয়েখ হাজার ডলার আয় করা সম্ভব।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - জিবনি



রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর (১৯২০-১৯৭৫)  জাতির জনক এবং বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি (২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে ১১ জানুয়ারি ১৯৭২)। শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা শেখ লুৎফর রহমান ছিলেন গোপালগঞ্জ দেওয়ানি আদালতের সেরেস্তাদার। মুজিব ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন। তিনি স্থানীয় গীমাডাঙ্গা স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। চোখের সমস্যার কারণে তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা চার বছর ব্যাহত হয়। ১৯৪২ সালে তিনি গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ এবং একই কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে বি.এ পাশ করেন।

স্কুল জীবন থেকেই মুজিবের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলীর বিকাশ ঘটে। তিনি যখন গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুলের ছাত্র সে সময় একবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ.কে ফজলুল হক ঐ স্কুল পরিদর্শনে আসেন (১৯৩৯)। শোনা যায়, ঐ অঞ্চলের অনুন্নত অবস্থার প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য তরুণ মুজিব বিক্ষোভ সংগঠিত করেন। ম্যাট্রিক পাশের পর মুজিব কলকাতায় গিয়ে ইসলামিয়া কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকেই তিনি আই.এ ও বি.এ পাশ করেন। ১৯৪৬ সালে তিনি ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র-সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একজন সক্রিয় কর্মী এবং ১৯৪৩ সাল থেকে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। রাজনীতিতে তিনি ছিলেন এইচ. এস সোহরাওয়ার্দীর একজন একনিষ্ঠ অনুসারী। ১৯৪৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে মুসলিম লীগ শেখ মুজিবকে ফরিদপুর জেলায় দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার দায়িত্ব অপর্ণ করে।

ভারত বিভাগের (১৯৪৭) পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অধ্যয়নের জন্য ভর্তি হন। তবে পড়াশুনা শেষ করতে পারেন নি। কারণ চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি দাওয়ার প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ঔদাসীন্যের বিরুদ্ধে তাদের বিক্ষোভ প্রদর্শনে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে ১৯৪৯ সালের প্রথমদিকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হয়।

১৯৪৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ গঠনে প্রধান সংগঠকদের একজন ছিলেন শেখ মুজিব। বস্তুত জেলে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় নবগঠিত পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের (১৯৪৯) যুগ্ম সম্পাদকের তিনটি পদের মধ্যে একটিতে নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে শেখ মুজিবের সক্রিয় রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। অপর দুই যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন খোন্দকার মোশতাক আহমদ এবং এ.কে রফিকুল হোসেন। ১৯৫৩ সালে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন। ১৯৬৬ সালেই তিনি দলের সভাপতি হন। দলকে ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র দেওয়ার জন্য ১৯৫৫ সালে মুজিবের উদ্যোগে দলের নাম হতে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। ১৯৪৭ সালের পর রাজনীতিতে তাঁর যে ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির উন্মেষ ঘটেছিল এ ছিল তারই প্রতিফলন।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কাজে পুরোপুরি আত্মনিয়োগের জন্য শেখ মুজিবুর রহমান মুখ্যমন্ত্রী আতাউর রহমান খানের মন্ত্রিসভায় (১৯৫৬-৫৮) মাত্র নয় মাস কাজের পর মন্ত্রীপদে ইস্তফা দেন। ১৯৬৪ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের শাসনামলে আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করার মতো সাহসিকতা দেখিয়েছেন শেখ মুজিব, যদিও তাঁর রাজনৈতিক গুরু সোহরাওয়ার্দী রাজনৈতিক দলগুলিকে নিষিদ্ধ রেখে পাকিস্তানে সাংবিধানিক শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট নামে একটি রাজনৈতিক মোর্চার ব্যানারে কাজ করার সপক্ষে ছিলেন। পাকিস্তান ধারণাটির ব্যাপারে ইতোমধ্যেই মুজিবের মোহমুক্তি ঘটেছিল। পাকিস্তানের দ্বিতীয় গণপরিষদ ও আইনসভার সদস্য (১৯৫৫-১৯৫৬) এবং পরবর্তীতে জাতীয় পরিষদের সদস্য (১৯৫৬-১৯৫৮) হিসেবে তাঁর এমন ধারণা হয়েছিল যে, পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের নেতাদের মনোভাবের মধ্যে সমতা ও সৌভ্রাতৃত্ব বোধ ছিল না।

শেখ মুজিব ছিলেন ভাষা আন্দোলনের প্রথম কারাবন্দীদের একজন (১১ মার্চ ১৯৪৮)। ১৯৫৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষার প্রশ্নে তাঁর প্রদত্ত ভাষণ ছিল উল্লেখযোগ্য। মাতৃভাষায় বক্তব্য রাখার অধিকার দাবি করে শেখ মুজিবুর রহমান বলেন,

‘আমরা এখানে বাংলায় কথা বলতে চাই। আমরা অন্য কোনো ভাষা জানি কি জানি না তাতে কিছুই যায় আসে না। যদি মনে হয় আমরা বাংলাতে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারি তাহলে ইংরেজিতে কথা বলতে পারা সত্ত্বেও আমরা সবসময় বাংলাতেই কথা বলব। যদি বাংলায় কথা বলতে দেওয়া না হয় তাহলে আমরা পরিষদ থেকে বেরিয়ে যাবো। কিন্তু পরিষদে বাংলায় কথা বলতে দিতে হবে। এটাই আমাদের দাবি।’

১৯৫৫ সালের ২৫ আগস্ট গণপরিষদে প্রদত্ত আরেক ভাষণে শেখ মুজিব পূর্ববঙ্গের নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান রাখার প্রতিবাদে যে বক্তব্য রাখেন তাও সমভাবে প্রাসঙ্গিক:

‘স্যার, আপনি লক্ষ্য করে থাকবেন যে, তারা পূর্ববঙ্গের স্থলে ‘পূর্ব পাকিস্তান’ বসাতে চায়। আমরা বহুবার দাবি জানিয়ে এসেছি যে, [পূর্ব] পাকিস্তানের পরিবর্তে আপনাদের পূর্ব [বঙ্গ] ব্যবহার করতে হবে। ‘বঙ্গ’ শব্দটির একটি ইতিহাস আছে, আছে নিজস্ব একটি ঐতিহ্য...’।

বিশ শতকের ষাটের দশকের প্রথমদিকে শেখ মুজিবুর রহমান রাজনীতিতে প্রাধান্য লাভ করেন। অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতার দ্বারা শেখ মুজিব আওয়ামী লীগকে আন্তঃদলীয় রাজনীতি থেকে মুক্ত করে দলের মূল স্রোত থেকে কিছু কিছু উপদলের বেরিয়ে যাওয়া রোধ করতে সক্ষম হন। সম্মোহনী শক্তিসম্পন্ন সংগঠক শেখ মুজিব দলের উপর পূর্ণ কর্তৃত্ব স্থাপন করতে পেরেছিলেন। ১৯৬৬ সালে তিনি তাঁর বিখ্যাত ছয়দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন এবং এই ছয় দফাকে আখ্যায়িত করেন ‘আমাদের (বাঙালিদের) মুক্তি সনদ’ রূপে। দফাগুলো হলো : ১. ফেডারেল রাষ্ট্র গঠন এবং সার্বজনীন প্রাপ্ত বয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন; ২. প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র ব্যতীত অপর সকল বিষয় ফেডারেটিং ইউনিট বা প্রাদেশিক সরকারগুলির হাতে ন্যস্ত করা; ৩. দুই রাষ্ট্রের জন্য পৃথক মুদ্রা চালু করা অথবা পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে মূলধন পাচার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ; ৪. করারোপের সকল ক্ষমতা ফেডারেটিং রাষ্ট্রগুলির হাতে ন্যস্ত করা; ৫. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসমূহকে স্বাধীনতা প্রদান; ৬. রাষ্ট্রসমূহকে নিজের নিরাপত্তার জন্য মিলিশিয়া বা আধা সামরিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা প্রদান করা। সংক্ষেপে এ কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে রাজনীতির প্রতি তাঁর এক নূতন দৃষ্টিভঙ্গী উন্মোচিত হয়। প্রকৃতপক্ষে ছয়-দফা কর্মসূচীর অর্থ ছিল কার্যত পূর্ব পাকিস্তানের জন্য স্বাধীনতা। সকল রাজনৈতিক দলের রক্ষণশীল সদস্যরা এ কর্মসূচীকে আতঙ্কের চোখে দেখলেও এটা তরুণ প্রজন্ম বিশেষত ছাত্র, যুবক এবং শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে নূতন জাগরণের সৃষ্টি করে।

মুজিব কর্তৃক ছয়দফা কর্মসূচীর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার পর আইয়ুব সরকার তাঁকে কারারুদ্ধ করে। শেখ মুজিব এবং আরও চৌত্রিশ জনের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে একটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করা হয়। সরকারিভাবে এ মামলাটির নাম দেয়া হয় ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য’। মামলায় অভিযুক্তদের অধিকাংশই ছিলেন পাকিস্তান বিমান এবং নৌবাহিনীর বাঙালি অফিসার এবং কর্মচারী। এদের মধ্যে তিনজন ছিলেন উর্দ্ধতন বাঙালি বেসামরিক কর্মকর্তা। মুজিব ইতোমধ্যে কারারুদ্ধ থাকায় তাঁকে এক নম্বর আসামী হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়। এ মামলায় শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় যে তিনি অন্যান্য আসামীর যোগসাজশে পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। অভিযোগ মতে শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য আসামী ভারতের সহায়তায় পূর্ব পাকিস্তানকে বলপূর্বক বিচ্ছিন্ন করার গোপন পরিকল্পনা করছিলেন। পাল্টা আঘাত হানার এ চালটি অবশ্য বুমেরাং হয়েছিল। ঢাকা কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলাটির বিচার চলছিল যেটা পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের আধিপত্যবাদী মনোভাবের বিরুদ্ধে বাঙালিদের আবেগ অনুভূতিকে প্রবলভাবে আলোড়িত করে। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারের সময় মুজিবের জনমোহিনী রূপ আরোও বিকশিত হয় এবং সমগ্র জাতি তাদের নেতার বিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। ১৯৬৯ সালের প্রথমদিকে বিশেষত তরুণ প্রজন্মের দ্বারা সংগঠিত গণআন্দোলন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে যে আইয়ুর সরকার দেশে আসন্ন একটি গৃহযুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টায় মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়। শেখ মুজিব ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি নিঃশর্ত মুক্তিলাভ করেন।

শেখ মুজিবের মুক্তির পরবর্তী দিন সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) শেখ মুজিবের সম্মানে গণসম্বর্ধনার আয়োজন করে। এ সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদই শেখ মুজিবকে নিঃশর্ত মুক্তি প্রদানে সরকারকে বাধ্য করার ব্যাপারে সবচাইতে কার্যকর রাজনৈতিক এবং সামাজিক শক্তি বলে প্রমাণিত হয়। সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে পরিষদের সভাপতি তোফায়েল আহমদ শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। মুজিবের মধ্যে তারা এমন একজন ত্যাগী নেতার প্রতিফলন দেখতে পান যিনি ২৩ বছরের পাকিস্তানি শাসনামলের প্রায় বারো বছর জেলে কাটিয়েছেন। বারো বছর জেলে এবং দশ বছর কড়া নজরদারীতে থাকার কারণে শেখ মুজিবের কাছে পাকিস্তানকে নিজের স্বাধীন বাসভূমির পরিবর্তে বরং কারাগার বলেই মনে হতো।

১৯৭০ সালের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের একমাত্র মুখপাত্র হিসেবে আবির্ভূত হন। তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দ ১৬৯ টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসনে (মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত সাতটি আসন সহ) জয়লাভ করে। আপামর জনগণ তাঁকে ছয়দফা মতবাদের পক্ষে নিরঙ্কুশ ম্যান্ডেট প্রদান করে। ছয় দফা বাস্তবায়নের দায়িত্ব তাঁর উপরই বর্তায়। ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের সব প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে রমনা রেসকোর্সে একটি ভাবগম্ভীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন এবং শপথ নেন যে, পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র প্রণয়নের সময় তারা কখনও ছয়দফা থেকে বিচ্যুত হবেন না।

এ পরিস্থিতিতে জেনারেল ইয়াহিয়ার সামরিক জান্তা এবং পশ্চিম পাকিস্তানের নির্বাচিত নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কেন্দ্রে সরকার গঠন করতে না দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ১ মার্চ এক ঘোষণায় ৩ মার্চ ঢাকায় অনুষ্ঠেয় জাতীয় পরিষদের অধিবেশন একতরফাভাবে স্থগিত করেন। এ ঘোষণার ফলে পূর্ব পাকিস্তানে সর্বাত্মক বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। সমগ্র প্রদেশ তাঁকে সমর্থন জানায়। অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে (২-২৫ মার্চ ১৯৭১) পূর্ব পাকিস্তানের গোটা বেসামরিক প্রশাসন তাঁর নিয়ন্ত্রণে চলে আসে এবং তাঁর নির্দেশমত চলে। তিনি কার্যত অর্থে প্রাদেশের সরকার প্রধান হয়ে যান। লন্ডনের দৈনিক Evening Standard পত্রিকার ভাষায়: ‘জনতার পুরোপুরি সমর্থন পেয়ে শেখ মুজিব যেন পূর্ব পাকিস্তানের কর্তৃত্বে সমাসীন হন। (মুজিবুর) রহমানের ধানমন্ডির যে বাড়ি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের অনুকরণে ইতোমধ্যে ১০ ডাউনিং স্ট্রীটের মতো পরিচিতি লাভ করেছে তা আজ আমলা, রাজনীতিক, ব্যাংকার, শিল্পপতি এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের দ্বারা অবরুদ্ধ।’ (১২ মার্চ ১৯৭১)

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ মুজিব রেসকোর্স ময়দানে দশ লক্ষ লোকের বিশাল জমায়েতে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ দেন যা বাঙালি জাতির ইতিহাসে যুগ সন্ধিক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত থাকবে। মুজিব তাঁর ভাষণে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে ব্যর্থ সামরিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ আনেন। বক্তৃতার শেষে মুজিব ঘোষণা করেন: ‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে... মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব, এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ... এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

ইতোমধ্যে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান এবং পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যান্য নেতা বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর দলের সাথে আলোচনা শুরু করতে ১৫ মার্চ ঢাকায় আসেন। পরদিন থেকে আলোচনা শুরু হয়, যা মাঝেমধ্যে বিরতিসহ ২৫ মার্চ সকাল পর্যন্ত চলে। এ সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন এবং লাগাতার হরতাল চলছিল। মার্চের ২ তারিখ থেকে ছাত্র এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা স্বাধীনতা ঘোষণা করতে থাকেন এবং এ ধারা অব্যাহতভাবে চলে। এ পটভূমিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চলাইটের নামে ২৫ মার্চ মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন স্থানে পৈশাচিক তান্ডব চালিয়ে ছাত্র-শিক্ষক এবং নিরীহ লোকদের গণহারে হত্যা করে। এভাবে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী দীর্ঘ নয় মাস ধরে গণহত্যা চালিয়ে যায়। শেখ মুজিবকে ২৫ মার্চ রাতে গ্রেফতার করে ঢাকা সেনানিবাসে আটক রাখা হয় এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতা ও বিদ্রোহে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে বিচারের জন্য পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে তা সম্প্রচারের জন্য ইপিআর ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে চট্টগ্রামে এক ওয়্যারলেস বার্তা পাঠান। তাঁর ঘোষণাটি নিম্নরূপ:

‘এটাই হয়তো আমার শেষ বার্তা। আজ হতে বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার আহবান, আপনারা যে যেখানেই থাকুন এবং যার যা কিছু আছে তা দিয়ে শেষ পর্যন্ত দখলদার সেনাবাহিনীকে প্রতিহত করুন। বাংলাদেশের মাটি থেকে পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর শেষ সৈনিকটি বিতাড়িত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আপনাদের এ লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।’

২৫ মার্চ পাকবাহিনীর হামলার পর থেকে যে স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু হয় সে সময় বঙ্গবন্ধু যদিও পাকিস্তানিদের হাতে বন্দী ছিলেন তথাপি তাঁকে তাঁর অনুপস্থিতিতে মুজিবনগর সরকার নামে অভিহিত অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য জনপ্রতিনিধিরা ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠন করে। তাঁকে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়কও করা হয়েছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের গোটা অধ্যায়ে শেখ মুজিবের অনন্য সাধারণ ভাবমূর্তি মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা এবং জাতীয় ঐক্য ও শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।

পাকিস্তানি জান্তা বঙ্গবন্ধুর বিচার করে মৃত্যুদন্ডাদেশ দিলে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ তাঁর জীবন বাঁচাতে উদ্যোগী হন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি দখলদারী থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর শেখ মুজিবকে পাকিস্তানি কারাগার হতে মুক্তি দেওয়া হয় এবং ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি লন্ডন হয়ে বিজয়ীর বেশে স্বদেশ প্রর্ত্যাবর্তন করেন। সারা দেশে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের বন্যা বয়ে যায়। সমাজের সর্বস্তরের লাখো জনতা তেজগাঁ পুরাতন বিমানবন্দরে তাঁকে বীরোচিত অভ্যর্থনা জানায়। নতুন প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বকে ঘিরে এবং সেই সূত্রে বাংলাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে যে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ জমে উঠেছিল তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে তা তিরোহিত হয়। লন্ডন থেকে প্রকাশিত দৈনিক গার্ডিয়ান পত্রিকার ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারির সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছিল : ‘শেখ মুজিব ঢাকা বিমানবন্দরে পর্দাপণ করা মাত্র নতুন প্রজাতন্ত্র এক সুদৃঢ় বাস্তবতা লাভ করে।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশে প্রথম সরকারের মাত্র সাড়ে তিন বছরের সংক্ষিপ্ত সময়টুকু নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। শূণ্য থেকে শুরু করে তাঁর সরকারকে যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি দেশের অগণিত সমস্যার মোকাবিলা করতে হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্র এবং জাতিগঠন কার্যক্রম শুরু হয়। আইন শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসন, যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃনির্মাণ, মুক্তিযুদ্ধ-বিরোধীদের জনরোষ থেকে রক্ষা করা এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হলো লক্ষ লক্ষ ক্ষুধার্ত মানুষের জন্য খাদ্য সংগ্রহ করা এবং আরো অনেক সমস্যার সমাধান তাঁর সরকারের সামনে সুবিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

এতসব সমস্যা সত্ত্বেও শেখ মুজিব একটি নূতন শাসনতন্ত্র প্রণয়নে কখনই দ্বিধাগ্রস্ত হননি এবং সে কাজটি তিনি দশ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করেন। স্বাধীনতার তিন মাসের মধ্যে ভারতীয় মিত্রবাহিনীর প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা হয়। পনেরো মাসের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় (৭ মার্চ ১৯৭৩)। একশত চল্লিশটি দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির পথনির্দেশনা নির্ধারণ করেন : ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারো প্রতি বিদ্বেষ নয়।’ বাস্তবিকপক্ষে মুজিব সরকার গুরুত্বপূর্ণ সকল ক্ষেত্রে মৌলিক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সূচনা করেন। এতসব অর্জন সত্ত্বেও মূলত উগ্র বামপন্থীদের তরফ থেকে বিরোধিতা আসে যারা স্বাধীনতা যুদ্ধকে একটি ‘অসম্পূর্ণ বিপ্লব’ বলে গণ্য করে অস্ত্র ধারণ করে। ফলে দেশে একটি চরম নাজুক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে এবং জনগণের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। সর্বোপরি দেশে দুর্ভিক্ষ (১৯৭৪) দেখা দেয় এবং হাজার হাজার লোক মৃত্যুবরণ করে। শেখ মুজিব প্রথমে রক্ষীবাহিনী নামে একটি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী গঠন করে পরিস্থিতি মোকাবেলার চেষ্টা করেন। নিজের জনমোহিনী ভাবমূর্তিকে আশ্রয় করে তিনি এরপর বাকশাল নামে দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করেন এবং শাসনতন্ত্রে যেসব মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করা হয়েছে সেগুলি খর্ব করেন। পরিণামে শেখ মুজিব অনেকটা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন এবং সকল মহলের সমালোচনার লক্ষ্যে পরিণত হন। এরকম একটা অস্থিতিশীল অবস্থার সুযোগ নিয়ে একদল সংক্ষুব্ধ সেনাসদস্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাঁকে এবং পরিবারের অন্য যেসব সদস্য তাঁর বাড়িতে অবস্থান করছিলেন তাদের সবাইকে হত্যা করে।


WATCH MOVIES ONLINE HERE. JUST CLICK AND SKIP ADS FOR WATCH



Tuesday, June 14, 2016

‘সে কি আমাকে ভালোবাসে ?’ - Is She raly Loves Me?

‘সে কি আমাকে ভালোবাসে ?’


‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’-এ তিনটি শব্দে কেউ আপনার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করলেও তা কি সত্যিকার ভালোবাসা ? অনেকেই অভিযোগ করেন, ‘এ পৃথিবীতে কেউ আমাকে ভালোবাসে না’। সত্যিকার অর্থেই সে আপনাকে ভালোবাসে কি না, তা নিয়ে চিন্তিত ? তাহলে এ লেখায় দেওয়া সাতটি পয়েন্ট মিলিয়ে নিন। বুঝে নিন, সে আপনাকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসে কি না।




১. অসুস্থ হলে আপনার খবর রাখে

আপনার প্রতি তার ভালোবাসা আছে, এ বিষয়টি বোঝার অন্যতম উপায় হলো আপনি অসুস্থ হলে সে আপনার খবর নেবে। এ সময় আপনার যে কোনো প্রয়োজনে তাকে ডাকলে কাছে পাবেন। আপনার দুঃসময়ে তার এগিয়ে আসা দেখেই বুঝে নেবেন, সে আপনাকে ভালোবাসে।

২. আপনাকে রক্ষা করে

যে আপনাকে ভালোবাসে সে সব সময় আপনাকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করবে। আপনাকে নিয়ে কেউ হাসাহাসি করলে সে তাতে অংশ নেবে না, বরং তাদের বিরুদ্ধেই থাকবে। এমনকি আপনি তার কাছ থেকে সাহায্য না চাইলেও সে আপনার সাহায্যে এগিয়ে আসবে।

৩. আপনার পরিবারকে সম্মান করে

আপনার পরিবার আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আর আপনাকে যে ভালোবাসে সে আপনার পরিবারকেও সম্মান করবে। আপনার বাবা-মা কিংবা ভাই-বোনকে সে সম্মান করবে। তাদের সঙ্গে যদি কথা বলতে হয় তাহলে সে অতি সম্মানের সঙ্গে তা করবে।

৪. আপনাকে উৎসাহ দেয়

আপনাকে যে ভালোবাসে সে আপনার নানা অর্জন দেখে খুশি হবে এবং আরও অর্জনে আপনাকে উৎসাহিত করবে। আপনি তাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছেন, এ জন্য সে মোটেও দুঃখ পাবে না। তার বদলে সে আপনার অর্জনে সহায়তা দিতে এগিয়ে আসবে এবং সে জন্য গর্ববোধ করবে।

৫. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে

আপনার সঙ্গে জড়িয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে কেউ কি এগিয়ে এসেছে? যদি এগিয়ে আসে তাহলে বুঝে নিন, সে আপনার প্রতি দুর্বল, আপনাকে ভালোবাসে এবং আপনার সঙ্গে জীবন অতিবাহিত করতে চায়।

৬. আপনার মতামতের মূল্য দেয়

যে আপনাকে ভালোবাসে সে আপনার মতামতেরও মূল্য দেয়। আপনার কথা সে সময় নিয়ে শুনবে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। যদি কেউ আপনার মতামতকে মূল্য না দেয় তাহলে এর বিপরীত অবস্থা হবে। কিন্তু আপনাকে যদি ভালোবাসে তাহলে সে আপনাকে একজন বুদ্ধিমান বলেই মনে করবে।

৭. মনে রাখে

যে আপনাকে ভালোবাসে সে আপনার জন্মদিনসহ নানা তারিখের কথা খেয়াল রাখবে। এ ছাড়া অন্য নানা উপলক্ষেও সে আপনাকে অভিনন্দন জানাতে ভুলবে না। (ইত্যাদি)